|
আপনি এখানে: হোমপেজ » সবার জন্য » দক্ষতা বাড়ান » পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেবেন কিভাবে?পরীক্ষার আগে চোখে সর্ষে ফুল দেখছেন? এই আর্টিকেলের সাহায্যে জানুন কিভাবে সহজে পরীক্ষার ভয় তাড়ানো যায় এবং পরীক্ষায় ভুল কমিয়ে আনা যায়। |
|
|
যখন পরীক্ষা কাছাকাছি চলে আসে তখন নিজেকে অসহায় মনে হতে থাকে। কোনটা রেখে কোনটা পড়বো - এজাতীয় চিন্তা মনে আসতে থাকে। এরকম দুশ্চিন্তা সবারই কমবেশি হয়। কিন্তু দুশ্চিন্তা নিয়ে তো আর পরীক্ষায় ভালো করা যায় না। পরীক্ষায় ভালো করার জন্য দুশ্চিন্তা তাড়ানো জরুরী। তাই এই দুশ্চিন্তা এড়িয়ে কিভাবে আত্মবিশ্বাসী হওয়া যায় আসুন দেখি-
রিল্যাক্স!রিল্যাক্স বন্ধু। এটাতো জাস্ট একটা পরীক্ষা। পাশ ফেল তো উপরওয়ালার হাতে। আশপাশ থেকে চাপ আসতেই পারে পরীক্ষায় ভালো করার জন্য। কিন্তু আপনি চিন্তিত হবেন না। দুশ্চিন্তাকে পানি দিয়ে গিলে হজম করে ফেলুন, আর আপনার পড়াশোনা ঠিকমতো চালিয়ে যান।একটু আগে শুরু করুনপরীক্ষার ক’দিন আগে কলুর বলদের মতো খাটলে সেটা কমই কাজে লাগে। তাই পরীক্ষার ঘোষণা পাওয়া মাত্রই (পারলে আগে) প্রস্তুতি শুরু করুন।আপনার ক্যাপাসিটি কতটুকু?অনেকে আছে পরীক্ষার আগে চাপে পড়ে নিজের ক্যাপাসিটির বেশি পড়া আয়ত্ব করতে চান। পরে দেখা যায় এই পড়া প্রায় কোনো কাজেই লাগে না। উল্টো টেনশন বাড়ে। তাই আগে নিজেকে যাচাই করুন, কতটুকু আপনি আয়ত্ব করতে পারবেন। সেই অনুযায়ী এগিয়ে যান।কি করবেন?প্রস্তুতির সময় সমস্ত ম্যাটারিয়াল একত্র করুন। খাতার লেকচার, এ্যাসাইনমেন্ট, হ্যান্ডআউট যতকিছু আছে সব একজায়গায় করুন।প্রথমে- খাতায় যে ক্লাস লেকচার আছে তা রিভাইস করুন। অনেকের একটা ভালো অভ্যাস আছে, সেটা হলো তারা প্রতিদিন বাসায় গিয়ে ক্লাসের লেকচারটা রিডিং পড়ে। এটা অভ্যাস থাকলে এই রিভাইসটা মোটেও কঠিন মনে হবে না। তারপর বাকি ম্যাটারিয়ালগুলো ধরুন। এগুলো থেকে যেটা সহজ মনে হয় সেটা থেকে উত্তরগুলো আয়ত্ব করুন। ও হ্যা! আপনার আগের পরীক্ষার খাতাগুলোও কাজে লাগতে পারে। আপনার নিজের খাতা দেখে মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাবেন, আপনি এতো সুন্দর লিখলেন কিভাবে। তবে এরপরও অনেক কিছু বুঝতে পারবেন না। ঘাবড়ানোর কিছু নেই। এটা খুবই স্বাভাবিক... আলাপ করুনকোন কিছু না বুঝলে বন্ধুদের/সহপাঠীদের সাথে ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলুন। আপনি যা বোঝেন না তা অন্যকেউ হয়তো খুব সহজেই বুঝে গেছে। তার কাছ থেকে বুঝে নিন। পরীক্ষার আগে এটা খুব কাজে দেয়। টেনশনও অর্ধেক কমে যায়।প্ল্যান করুনএই সিম্পল প্ল্যানটা ফলো করুন-ক. পড়ুন খ. নিজেকে পরীক্ষা করুন গ. নিজের দুর্বলতাগুলো বের করুন ঘ. আবার পড়ুন ঙ. আবার পরীক্ষা করুন পড়ার ব্যাপারে তো উপরেই বললাম। কিন্তু নিজেকে পরীক্ষা করার ব্যাপারটা নতুন। আপনি যদি কোন বিষয়ে নিজে নিজে পরীক্ষা দেন তবে সেটা আপনার কাছে সহজ হয়ে যাবে। অনেকে পরীক্ষাকে ভয় পান, এমনকি নিজে নিজে দিতেও। কিন্তু পরীক্ষাভীতি দূর করার এর চেয়ে বোধহয় কার্যকরী কোন উপায় নেই। এই আত্মপরীক্ষা আপনার পড়াগুলোকে ১০গুন সহজ করে দেবে। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো পরীক্ষার আগে সেই পড়াগুলো আর না পড়লেও আপনার সেটা মনে থাকবে। দারুণ! তাই না। আত্মপরীক্ষা দেয়ার পর নিজের খাতাটা নিজেই দেখুন। দেখবেন সেখানে কিছু দোষত্রুটি বা ভুল নজরে পড়বে। সেগুলো পয়েন্ট আকারে একটা পাতায় লিখে রাখুন। এবার আবার রিভাইস দিন। এবার দেখবেন আপনার কাছে পড়াগুলো আর কঠিন মনে হচ্ছে না। এবার পরীক্ষা দিয়ে দেখুন। কি পারফেক্ট লেখা আপনার তাই না? পরীক্ষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রপ্রতিটি বিষয়ের যেসব ভুল হলো সেগুলো (প্রতি বিষয়ের আলাদা) একেকটা পাতায় লিখেছিলেন। সেগুলোকে একত্রে স্ট্যাপল করুন। এটা হচ্ছে আপনার Plan of Attack। এটা দিয়ে আপনি পরীক্ষার ভুতকে আক্রমণ করবেন।হায় হায় ক্যালকুলেটর আনি নাই!অনেক সময় দেখা যায় অংক পরীক্ষা অথচ ক্যালকুলেটর নিতে ভুলে গেছেন! শুধু ক্যালকুলেটর নয়, আরও অনেক কিছুই আছে যেসব কিনা পরীক্ষায় লাগে- যেমন: স্কেল, পেন্সিল, কম্পাস...। সেগুলো বিষয়ভিত্তিক Plan of Attack-এর পাতায় লিখুন।পরীক্ষার ভূতকে কিলিয়ে মাটি করে দিন!পরীক্ষার আগে Plan of Attackটা দেখে নিন। ভুলগুলো সম্পর্কে সচেতন হোন। আত্মবিশ্বাসী হয়ে পরীক্ষা দিন।“ছাত্রজীবন সুখের জীবন, যদি না থাকে এক্সামিনেশন”- এরকমটা আশা করা দুরাশা। তাই পরীক্ষাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসুন। দেখবেন সবকিছুই সহজ। Author: Adnan Shameem লেখক: আদনান শামীম এই পেজটি সর্বশেষ এডিট করা হয়েছে ০৫ ফেব্রু ২০১০ ১০:২৫ pm |
|










