স্বাগতম, অতিথি। লগইন বা রেজিস্টার করুন

আপনি এখানে: হোমপেজ » সবার জন্য » মানসিক »

হারতে হারতে সফল হবেন কিভাবে

আপনি কি হারতে হারতে ক্লান্ত? আসলে আপনি কিন্তু জেতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জানতে হলে পড়ুন।

৬৩ শব্দের লেখা
আমি আমার শৈশবের অর্ধেকটাই ড্রয়িং করে কাটিয়েছি। আমি যখন কলেজে (বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়) উঠলাম তখন ড্রয়িং ক্লাস জয়েন করলাম। আমি পেন্সিল দিয়ে আঁকতে পছন্দ করতাম। Will Reimann নামে খুব ভাল একজন draftsman আমার টিচার ছিলেন।

তাকে ইমপ্রেস করার জন্য অনেক চাতুর্য খাটিয়ে; বিভিন্ন লাইন, জলছাপ, গ্র্যাডিয়েন্ট ব্যবহার করে একটা ড্রয়িং করেছিলাম। আগের কথা বলি। একদিন দেখলাম আমার স্কেচ প্যাডে টুপ করে হঠাৎ কি পড়লো। সেটা ছিলো একটা ড্রাফটিং পেন (mechanical drafting pen)।

“এখন থেকে এটা দিয়ে আঁকবে,” মি. রেইম্যান বললেন। আর তিনি শয়তানের মতো একটা হাসি দিলেন।

ইস! এই কলমটাকে যে আমি কি পরিমাণ ঘৃণা করতাম। এটা দিয়ে শুধু একইধরণের বৈচিত্রহীন কাল লাইন আঁকা যেত, যাতে আমার পেন্সিলের টেকনিগুলো আর কাজে লাগছিল না। আপনারা হয়তো ভাবছেন আমার টিচার আমার প্রতি দয়া দেখিয়েছিলেন কিংবা সামান্য ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে গাইড করেছিলেন। কিন্তু না। তিনি আমার কিম্ভূতকিমাকার ড্রয়িং দেখে উফ্ একটা শব্দ করে এমনভাবে মাথায় হাত দিতেন যেন তার মাইগ্রেনের ব্যথা আছে। আমার গ্রেড কমতে লাগলো, হতাশায় ভুগতে লাগলাম।

ক’সপ্তাহ পর, যখন আমি অন্য আরেক ক্লাসে বসে হতচ্ছাড়া কলমটা দিয়ে নোট নিচ্ছিলাম। তখনই একটা কান্ড হলো। ক্লাসের মাঝে এমনিই খাতার উপর আমার হাত নড়ছিলো। অবাক হয়ে দেখলাম কলমটা দিয়ে কিছু দাগ হচ্ছে- ছোট ছোট বৃত্ত, অর্ধবৃত্ত, আঁকিবুকি।

পরের যেই ড্রয়িংটা আমি করলাম সেটা একটা আর্ট কম্পিটিশন জিতেছিলো। সেখানে একজন বিচারক জিজ্ঞেস করলেন তুমি কিভাবে বুঝতে পেরেছিলে একটা ড্রাফটিং পেন দিয়ে এটা করা সম্ভব?

“আমি ব্যর্থ হয়েছিলাম,” আমি বললাম। “অনেকবার।”

এরপর থেকে অনেক সময়ে ব্যর্থতায় সেলেব্রেট করেছি, নিজের এবং অন্যেরও। আমি খেয়াল করলাম জীবন নামের স্কুলে আমি শিখেছি যে, সফল মানুষ ও ব্যর্থ মানুষের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে সফলরা বেশি ব্যর্থ হয়।

আপনি যদি ব্যর্থতাকে আপনার জীবন ধ্বংসকারী এক দানব হিসেবে মনে করেন, তাহলে আরেকবার ভেবে দেখুন। এই দানব আপনার শিক্ষক হতে পারে, আপনি এখন যে সফলতার কথা ভাবতেও পারেন না তা এনে দিতে পারে।

হা হুতাশ না করলেই কি নয়!
আমার এক কুকুর পালা বন্ধু ডগ শোয়ের জন্য কুকুরের breeding করে। একদিন dog park-এ তার সাথে দেখা। খুবই বিদ্ধস্ত দেখাচ্ছিল তাকে।

“কি হয়েছে?” আমাদের কুকুরগুলো খেলছিলো আর আমরা কথা বলছিলাম।

“Ewok,” লরা তার সুন্দর করে লোম আচরানো কুকরটার দিকে তাকিয়ে বললো। “গতকালের শোতে ও প্লেস করতে পারে নি। একটা... প্লেসও... করলো না! আর ও হারতে একেবারেই অপছন্দ করে।” তার কন্ঠ এতটাই বিষাদের মনে হলো যে অবাক হলাম। “তার ফার্স্ট হওয়ার কথা ছিলো। দেখো তাকে - ও কত পারফেক্ট!”

আমি Ewok-এর দিকে তাকালাম। তাকে ভালোই লাগছিলো - কিন্তু পারফেক্ট? কি জানি? কুকুর তো কুকুরই, এটা নিয়ে এত ভাবার দরকার কি। আমার মনে হয় Ewokও তাই মনে করে। তাকে দেখে কিন্তু মনে হচ্ছিল না সে হারতে অপছন্দ করে। সে যদি ফ্রিসবিটা ভেঙ্গেও ফেলে তবুও সে খুশিই হবে।

লরার হতাশা কিন্তু ডগ শোয়ের ঘটনার জন্য হয় নি। হয়েছে ব্যর্থতা ও সফলতা সম্পর্কে তার ধারণার জন্য। সে বুঝতেও পারে নি Ewok তার জীবনকে এনজয় করছে। ডগ শোতে যাওয়া, জেতা; ডগ শোতে যাওয়া, হারা; পার্কে আসা, খোড়াখুড়ি করা - Ewok-এর কাছে সবই মজার।

যাই হোক, হারার ব্যাপারে লরার চিন্তাধারা তার মজার সব অভিজ্ঞতাকে ম্লান করে দিয়েছে। ভাগ্যিস হারের চেয়ে ভয়ঙ্কর আরেকটা জিনিস সে পায় নি: সফলতা।

“সফলতা ব্যর্থতার মতোই ভয়ঙ্কর,” লাও-জু বলেছেন, এবং এই কথাটার সাথে যে কোন অভিজ্ঞ ব্যক্তি একমত হবে। আমি অনেককে বলতে শুনেছি, “আমি যে কাজটা করছি সেটা আমার পছন্দ না, কিন্তু আমি এতে ভাল। আমি যা করতে চাই তা করতে গেলে আমাকে আবার গোড়া থেকে শুরু করতে হবে, তখন আমি ব্যর্থও হতে পারি।”

ব্যর্থতার মধ্যে থাকলে আমাদের নিজেকে ছোট মনে হয়। কিন্তু সফলতার মধ্যে থাকলে আমরা লোক দেখানো দাসে পরিণত হবো, এই ভাববো, কাজটা ভাল না, কিন্তু আমি এতে সফল।

গবেষকরা বলেন আনন্দ আসে চ্যালেঞ্জ থেকে। মনে করুন, যেই কম্পিউটার গেম আপনি সবসময়ই জিতেন তাতে আনন্দ নেই। আর যেটা খুব কষ্টে মাঝে মাঝে জিতেন তাতে মজা বেশি।

সময় নষ্ট করা কম্পিউটার গেমে রিস্ক নিতে আমরা ভয় পাই না। কিন্তু জীবনের কোনো ব্যাপার আসলেই আমরা সিরিয়াস হয়ে যাই, হাসফাস করি আর এক্কেবারেই ফেল করতে চাই না। সত্যি বলতে কি, আমরা ব্যর্থ হবোই। কিন্তু আমরা এটাকে সহজভাবে না নিয়ে বিষয়টাকে জটিল করে ফেলি।

ট্যামি এলো একদিন আমার কাছে, কারণ তার ১৭ বছর বয়সী ছেলে জেসন - তার পারফেক্ট ছেলে, যাকে সে পারফেক্ট ন্সেহ দিয়ে লালন পালন করেছে, মাতৃত্বের সব নিয়ম পারফেক্টলি মেনে - তাকে ড্রিংক করার জন্য এ্যারেস্ট করা হয়েছে।

“আমি ব্যর্থ,” ফুঁপিয়ে কাঁদছে ট্যামি। “আমি জেসনকে ব্যর্থ করেছি; নিজেও ব্যর্থ হয়েছি।”

“হুম...” আমি বললাম, “ঠিকই বলেছ।”

ট্যামি আমার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন আমি তাকে চড় মেরেছি। আমি অবশ্য এটা mean করতে চাই নি। আমি কাঁধ ঝাকালাম, “তুমি অসংখ্যবার ব্যর্থ হয়েছো, অসংখ্যবার সফলও হয়েছো। Welcome to parenthood. তুমি কি এমন কোনো মাকে দেখেছ যে কখনোই ব্যর্থ হয় নি?”

“অবশ্যই,” ট্যামি মাথা নাড়লো। “কান্ট্রি ক্লাবে আমার এরকম অনেক বন্ধু আছে যারা পারফেক্ট মা।” সে আরো জোরে কাদতে লাগলো। “আর তারা খারাপ মায়েদের সম্পর্কে যা-তা বলে। এখন তারা আমাকে নিয়েও বলবে, কারণ জেসন ...” সে ফুপিয়ে উঠলো।

“বলো তো, তুমি কি তাদের আসলেই পছন্দ করো?”

তার কান্না একটু থামলো। অনেকক্ষণ নিশ্চুপ কাটলো, তারপর ট্যামি সোজা হয়ে বসলো।

“সত্যি কথা বলতে কি, আমি ওদের একটুও পছন্দ করি না। কাউকেই না।”

“আমি তোমাকে বিশ্বাস করলাম। আমি তোমার বন্ধুদের চিনি না। কিন্তু আমাকে যদি একটু আগে তুমি যেমন ছিলে তেমন কারো সাথে থাকতে হতো তাহলে আমিও ড্রিংক করা শুরু করতাম।”

“কিন্তু আমি তো এরকমই,” ট্যামি বললো। “আর ড্রিংক করতেও আমার কোন আপত্তি নেই।”

“হয়েছে হয়েছে,” বললাম আমি। “এখন বাড়ি যাও আর জেসনের কাছে ক্ষমা চাও ঐসব অপছন্দের মাদেরকে নকল করার জন্য। বাস্তববাদী হওয়ার চেষ্টা করো - টিনেজাররা এটাই পছন্দ করে। তুমি যতই পারফেক্ট হওয়ার চেষ্টা করবে, ব্যর্থ হবে। যখন তুমি ব্যর্থতা স্বীকার করবে, তখনই সফল হবে।”

ট্যামি দৃষ্টি সরিয়ে বললো, “তুমি আমাকে মা হিসেবে ব্যর্থতা স্বীকার করতে বলছো?”

“তুমি যখন ব্যর্থ হও,” আমি বললাম “তোমার কি আর কিছু করার আছে?”

“উম... না, কিন্তু ব্যর্থতা স্বীকার করা? মা হিসেবে? আমি পারবো না।”

“অবশ্যই পারবে,” আমি বললাম। “দেখ, তুমি জেসনকে কন্ট্রোল করতে ব্যর্থ হয়েছ। খেয়াল করেছ তুমি নিজেকে কত ছোট মনে করছো এই ভেবে: হায়, কি হলো।”

ট্যামি মাথা দুলিয়ে সায় দেয়।

“নিজেকে আর ছোট মনে করো না, আর ‘হায়, কি হলো’ এটা না বলে বলো ‘যা হওয়ার হয়েছে’।”

আমি হাসলাম। ট্যামি ভাবলো আমি আরো কিছু বলবো, কিন্তু আমি চুপ রইলাম...

“আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না,” ট্যামি বললো “আমি এখানে উপদেশ নিতে এলাম জেসনকে কিভাবে ঠিক করা যায় আর আমি পেলাম ‘যা হওয়ার হয়েছে’?”

“একদম সঠিক,” আমি বললাম “আমি তোমাকে ব্যর্থ করেছি!” গভীর শ্বাস নিলাম এবং শান্ত হয়ে বললাম “যা হওয়ার হয়েছে...”

ট্যামি আমার দিকে আরো কিছুক্ষণ নিশ্চুপ তাকিয়ে রইলো। “এই কথাটার কারণে তোমাকে বিশ্বাস করতে মন চাইছে।”

এখানেই তো আসল ম্যাজিক, প্রাণপনে চেষ্টা করার পরও ব্যর্থ হয়েছ। তোমার ব্যর্থতা স্বীকার করো - খোলাখুলিভাবে, সবার কাছে, একটু অনুশোচনার সাথে, কিন্তু লজ্জা নয়। এভাবে তুমি উপহার পাবে ক্ষমাশীলতা, বিশ্বাস, সম্মান এবং ভাল সম্পর্ক - যেসব তুমি সফল হলে পেতে না। Ironic, তাই না?

সম্পর্কের টানাপোড়েন
আমি আমার ছেলে এ্যাডামের কারণে ব্যর্থতাকে স্বীকার করতে শিখেছি। আমি কমবয়সে মা হয়েছি, কখনোই স্মোক করি নি, ড্রিংক করি নি, ঠিকমত খাওয়া দাওয়া করি নি, তার উপর এ্যাডাম আমার জীবনে বাড়তি বোঝা হয়ে এলো, ও মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জড্। আমি তাকে সফল ছাত্র, athlete, রকেট সায়েন্টিস্ট বানাতে ব্যর্থ হয়েছি। আমার মনে হয়েছিলো এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর কি হতে পারে।

তখনই আমি বুঝতে পারলাম সমস্যা যত বড়, তার ব্যর্থতা তত বড় উপহার নিয়ে আসে: সফলতা পাবার চিন্তা থেকে স্বাধীনতা। কেউ ভাগ্যবান হলে সে তার শত্রুকে এড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু সত্যিকারের ভাগ্যবান হলে (কবি রুমির ভাষায়) “কোনো বাড়িতে ঢুকে শত্রুকে এড়িয়ে যায় আর অন্যদের জন্য বাড়ির দরজা খুলে দেয়।”

অনেক বড় ব্যর্থতা সহজেই কাটানো যায়। যখন আমার পেন্সিল-প্রেমিক মন ব্যর্থতা স্বীকার করলো আর আমার হাতকে কলমটার সাথে নাচতে দিলো, তখনই ড্রয়িং-এর নতুন একটা পথ খুলে গেল।

আমার সন্তানের জন্য পারফেক্ট জীবন তৈরি করতে পারি নি বলে আমি ধারণা করতে লাগলাম, “সফল মায়েদের সন্তানরা বুদ্ধিমান হয়” এবং “আমার সন্তানের কখনোই ব্যর্থ হওয়া চলবে না।”

যাচ্ছেতাই রকমের বাজে লাগতো তখন। আমি একসময় বুঝলাম সফলতা আর ব্যর্থতার উপলব্ধি একেক সময় একেক রকম এবং স্বাভাবিক আর তুচ্ছও বটে। আমেরিকান কেনেল ক্লাব যেমন “পারফেক্ট” কুকুরের সংজ্ঞা দিয়েছে, মাথায় দুশ্চিন্তা ছাড়া থাকতে পারলে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই এনজয় করা যায় - খুব সিম্পল।

ট্যামিরও কিন্তু এমন হয়। জেসনের উচ্ছৃঙ্খলতা উপহার হিসেবে ব্যর্থতা নিয়ে এসেছে। অন্যদের ক্ষেত্রে ব্যর্থতা এনে দিতে পারে: কোমলতা, একটু নরম হওয়া, শান্ত, আত্মবিশ্বাস। কবি Antonio Machado এ প্রসঙ্গে বলেন-
গত রাতে আমি ঘুমুচ্ছিলাম
স্বপ্ন দেখলাম - কি মারাত্মক ভুল! -
যে একটা মৌচাক
আমার হৃদয়ের মধ্যে।
আর সেই সোনালী রঙের মৌমাছিগুলো
তৈরি করছিল শুভ্র মধুচক্র
আর মিষ্টি মধু
আমারই করা ভুলগুলো থেকে।

আমি এমন নই যে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সবসময় অপেক্ষা করি। কিন্তু ব্যর্থতা আসবেই, তাই আমি নিজেকে লাকি মনে করি ব্যর্থতায় কি করতে হবে তা জানি বলে। আপনার বেলায়ও এটা কাজে আসবে। সাহস করুন, লম্বা নিশ্বাস ছাড়ুন। ‘হায় কি হলো’ চিন্তা বাদ দিয়ে ‘যা হওয়ার হয়েছে’ চিন্তা করুন। তারপর যে দরজা খুলবে তাতেই ঢুকে পড়ুন।

উপরে নামা
কলেজের সেকেন্ড ইয়ারে মেকানিকাল কলম আমার পছন্দের ড্রয়িং ইন্সট্রুমেন্টে পরিণত হলো। চেষ্টা এবং ভুল (বার বার ভুল) আমাকে ব্যর্থতার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে শিখিয়েছে। আমি ধৈর্যশীল ও বোকা বলে মি. রেইম্যানের আরেকটি ক্লাস জয়েন করলাম। একদিন সকালে যখন আমি আঁকছিলাম তখন আমার স্কেচ প্যাডে টুপ করে কি একটা পড়লো। একটা ওয়াটারকালার ব্রাশ।

“এখন থেকে এটা দিয়ে আঁকবে,” আমার টিচার বললেন। “তোমার এটা ভাল লাগবে না। একটা দাগ দিয়ে আধঘণ্টা বসে থাকো, তারপর আরেকটা। এটাই নিজে সিদ্ধান্ত নিবে ড্রয়িংটা কেমন হবে।”

আমি ব্রাশটা হাতে নিলাম। “আপনি আমাকে নিশ্চয়ই হেল্প করবেন না।”

“উমম, ব্যাপারটা এমন,” মি. রেইম্যান বললেন। “যত তাড়াতাড়ি তুমি প্রথম ৫,০০০ ভুল করবে তত তাড়াতাড়িই তুমি পরের ৫,০০০ ভুল করতে পারবে।” তারপর তিনি তার শয়তানি হাসি হাসতে হাসতে চলে গেলেন, আমাকে বিপদের মধ্যে রেখে। তিনি আমার মতো uninspired আর্টিস্টদের উদ্বুদ্ধ করেন, তিনি আসলেই সব টিচারের বড় টিচার।

Martha Beck এর লেখা, “O, The Oprah Magazine” এর ডিসেম্বর ২০০৭ ইস্যুতে ছাপা হয়েছিল “How to fail your way to success” শিরোনামে। cnn.com থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
TM & © 2007 Harpo Productions, Inc. All Rights Reserved.




Author: Adnan Shameem
লেখক: আদনান শামীম

এই পেজটি সর্বশেষ এডিট করা হয়েছে ৩০ জানু ২০১০ ১২:৪৩ am
Page created in 0.613 secs.